Large number of red LPG cooking gas cylinders stacked in rows outdoors on grassy ground, with a group of people standing in the background near a brick wall, one person carrying a cylinder on his shoulder.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : নভেম্বরের শুরুতেই রান্নার গ্যাস ও বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা। আগামী ১ নভেম্বর থেকে গ্যাসের দাম বা ব্যবহারের নিয়মে কোনও বদল আসে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। উল্লেখ্য, প্রতি মাসের প্রথম দিন বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম পর্যালোচনা করে তেল বিপণন সংস্থাগুলি।

নভেম্বর মাসে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দামের পরিবর্তন হলে হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীদের খরচেও তার প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি, গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের ক্ষেত্রে ই-কেওয়াইসি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে গ্রাহকদের। ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডারের সুবিধা পেতে আধার-নির্ভর বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ সম্পন্ন করার কথা বলা হচ্ছে। যাঁরা এখনও ই-কেওয়াইসি করাননি, তাঁরা গ্যাস সংস্থার নির্ধারিত অ্যাপ অথবা সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটর ও ডেলিভারি কর্মীর সহায়তা নিতে পারেন। যাচাইকরণ না করা থাকলে ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস বুকিং সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে উজ্জ্বলা যোজনার উপভোক্তা—সকলের ক্ষেত্রেই একটি সিলিন্ডার রিফিল বুক করার পর পরবর্তী বুকিংয়ের মধ্যে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধান রাখার নিয়মের কথা বলা হচ্ছে। গ্যাসের অপব্যবহার এবং কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করাই এর উদ্দেশ্য। আইভিআরএস, মিসড কল ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবটের মাধ্যমে গ্রাহকরা বুকিং করতে পারবেন।

তবে, নতুন নিয়মকানুনের পাশাপাশি কাজের চাপ বাড়ায় কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের একাংশ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *