জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : কাশ্মীরে জঙ্গি নাশকতা রুখতে পুলিশের বড়সড় অভিযান। সোপিয়ান উপত্যকা থেকে গ্রেফতার ১০। পুলিশের অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে জঙ্গিদের সাহায্য করতেন ধৃতরা। পাশাপাশি জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য টাকা সংগ্রহের দায়িত্বও ছিল তাঁদের উপর। সেই অর্থের একটি অংশ নিজেদের কাছে রেখে বাকিটা জঙ্গিদের কাছে পৌঁছে দিতেন বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে খবর, সন্দেহজনক অনলাইন লেনদেনের রেকর্ড বিশ্লেষণ করেই এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। বিভিন্ন সময়ে একাধিক দফায় অর্থ পাঠানোর তথ্য সামনে এসেছে। লস্কর-ই-তৈবা এবং তাদের শাখা সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের কাছে এই টাকা পৌঁছত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। গোটা নেটওয়ার্কের সন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সোপিয়ান থেকে ওই ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম তাজামুল আহমেদ শাহ, ওয়াইস সফি নাইকু, ইমদাদ ইউসুফ গনি, মইজ ইকবাল শাকিব, জাহুর ওয়ানি, আমির আহমেদ গনি, ফিরদৌস ঠোকার, কাজু, মহম্মদ হানিফ এবং লিয়াকত নাজির লোন।
সোপিয়ান পুলিশের দাবি, উপত্যকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা সংগ্রহ করে তা লস্কর-ই-তৈবা এবং তাদের শাখা সংগঠন টিআরএফ -কে পাঠাতেন ধৃতরা। অনলাইন পেমেন্ট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন হতো। ওই টাকা দিয়ে স্মার্টফোন-সহ নানা সামগ্রী কেনা হতো বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।
একাধিক সন্দেহজনক অনলাইন লেনদেনের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজ পায় পুলিশ। এই চক্রের নেটওয়ার্কে আরও কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, ধৃত ১০ জন ছাড়াও আরও অনেকে এই কাজে যুক্ত থাকতে পারে। তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপ ও নাশকতা রুখতে চলা অভিযানের অংশ হিসেবেই এই গ্রেফতারি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
