জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে কোয়েল মল্লিক। প্রথমে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন, পরে রাজ্যে পালাবদলের পর ইস্তফা দেন। এরপর বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা তৈরী হয়েছিল। এবার সেই জল্পনার অবসান, সোমবার মুরলীধর লেনে বিজেপির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেন কোয়েল। বিজেপির টিকিটেই ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হচ্ছেন তিনি, আজই মনোনয়ন জমা দেবেন বলে জানা গিয়েছে। দলের পতাকা হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোয়েল।
দলে যোগ দিয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান কোয়েল। তাঁর কথায়, “সম্মানিত বোধ করছি, এটা বিরাট দায়িত্ব। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বাংলার মানুষ আনন্দে থাকুক, কাজ বাড়ুক। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিক্ততার কারণ কাজের অভাব, সেটা মানতে হবে। বাংলায় আরও স্কুল দরকার, বিশেষ করে নিম্নবিত্তদের জন্য ভাবতে হবে।” অভিনেত্রী আরও বলেন, “মানুষের সেবা কীভাবে করতে হয়, আমি জানি। ছোটবেলায় গ্রীষ্মের ছুটিতে সবাই যখন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেত, মা আমাকে নিয়ে যেতেন মিশনারিজ অফ চ্যারিটিতে। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবা করেছি। বাইরের পৃথিবীটা ছোট বয়স থেকেই দেখা। কাজ করতে ইচ্ছে করে, যতটুকু পেরেছি করেছি। আমি সবাইকে পজিটিভ হিসেবে দেখি। সবাইকে পজিটিভ ভাবি, যাঁরা নেগেটিভ তাঁদেরও কোনও কারণ আছে। মানুষের জীবনে পার্থক্য গড়তে পারলে ভালো লাগবে, দেশের কাজে লাগতে চাই।”
বিজেপিতে যোগ দেওয়া জল্পনা শুরু হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের তরফে বারবার ট্রোল হতে হয়েছে তাঁকে। এ নিয়ে কোয়েল বলেন, “রাগ নেই, আমি সাইকোলজির ছাত্রী। মানবিকতাবোধ আছে। অন্যকে ছোট করে, অপমান করে তাঁরা মানসিক আরাম পেয়েছেন। সুখে থাকলে কেউ অন্যকে অপমান করে টক্সিসিটি ছড়ায় না। তাঁদের মানসিক সুস্থতা কামনা করি।” এরপরই বিধানসভার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। আজই বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা তাঁর।
