left side shows Brazilian President Luiz Inácio Lula da Silva smiling and wearing red star-shaped sunglasses, right side shows former US President Donald Trump in a blue suit with a red tie looking serious.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : ব্রাজিলের নির্বাচনে লুলা দা সিলভার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন ফ্লাভিও বলসোনারোর। প্রায় ৪০ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বামপন্থী নেতা লুলা। শীঘ্রই প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে চলেছেন তিনি। কিন্তু এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েই এবার সন্দেহ প্রকাশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর দাবি, তিনি কোনও পক্ষ না নিলেও ব্রাজিলের নির্বাচনকে দেখে তাঁর কারচুপির ভোট বলেই মনে হচ্ছে। পাশাপাশি, আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনলে ১০ লক্ষ ডলার পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।

ব্রাজিলের নির্বাচনে লুলা দা সিলভার জয় মেনে নিতে নারাজ ফ্লাভিও বলসোনারো। এবার ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। তাঁর আপত্তি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন ২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছিল ভোটগ্রহণের সময়? একই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তাঁর কথায়, ভোট গণনার পদ্ধতি দেখে তাঁর খারাপ লেগেছে এবং গোটা বিষয়টি অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সন্দেহের পক্ষে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ নেই। অধ্যাপক পেদ্রো বুর্গোসের হিসাব অনুযায়ী, অতিরিক্ত ২ ঘণ্টায় ৩৫ হাজারেরও কম ভোট পড়েছিল, যা মোট ভোটের মাত্র ০.০৩ শতাংশ। অন্যদিকে, ফ্লাভিওর দাবি, তাঁদের জোর করে হারানো হয়েছে। লুলার জয় বাতিলের দাবিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ঘিরে ব্রাজিলের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

একদিকে ব্রাজিলের নির্বাচন নিয়ে কারচুপির অভিযোগ, অন্যদিকে আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে বড় ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ফ্লাভিও বলসোনারোকে সমর্থন করেননি বলে প্রকাশ্যে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এর আগে একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ট্রাম্পের বিদেশ দফতরের আধিকারিকরা বলসোনারো পরিবারকে ক্ষমতায় ফেরানোর লক্ষ্যে প্রচার চালিয়েছিলেন। এই বিতর্কের মধ্যেই ভোটার জালিয়াতি রুখতে পুরস্কার ঘোষণার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর দাবি, অতীতের নির্বাচনগুলিতে কিংবা ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির তথ্য দিলে পুরস্কার মিলবে। জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও দোষী সাব্যস্ত করা হলে তথ্যদাতাকে ১০ লক্ষ ডলার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। ফলে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ঘিরে মার্কিন রাজনীতিতেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *