Rescue workers search through the rubble of collapsed buildings following a devastating earthquake in Tibet, with extensive structural damage visible across the area.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত ও চিনের সংলগ্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার রাতের এই ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। ধসে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েই অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ভূমিকম্পের জেরে কার্যত বিপর্যস্ত বিস্তীর্ণ এলাকা। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কম্পনের তীব্রতায় কয়েকশো বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। চিনের আর্থকোয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টার জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল।

ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, নাগকু থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে পাহাড়ি এলাকায় ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকেও ওই এলাকার দূরত্ব প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, উৎসস্থলের সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে ভেঙে পড়েছে একের পর এক বাড়ি। বহু বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪৬ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বিপর্যয়ের পর দ্রুত শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নেমেছেন ৩০০ জন পুলিশকর্মী, উদ্ধারকারী দলের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বিপর্যস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।

ভূমিকম্পের ভয়াবহ মুহূর্তের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কম্পন শুরু হতেই সুপার মার্কেট সংলগ্ন একটি রেস্তরাঁ থেকে প্রাণ বাঁচাতে বাইরে ছুটে আসছেন অনেকে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবনের একাংশ ভেঙে পড়তে শুরু করে। এই ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে ভূমিকম্পের ভয়াবহতার ছবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *