Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu, an older man with short white hair wearing a dark suit, white shirt and bright blue tie with a small Israeli flag pin on his lapel, standing outdoors at night on a balcony or rooftop with city lights blurred in the background, his left hand raised near his chest.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : বুথ ফেরত সমীক্ষায় স্বস্তি নেই ইজরায়েলের বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোটের। এক্সিট পোলের ইঙ্গিত, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে সমস্যায় পড়তে পারে তাঁর শিবির। তবে বিরোধী জোটও সরকার গড়ার মতো আসন পাচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে সমীক্ষায়। ফলে কোনও পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না বলে অনুমান।

সূত্রের খবর, ইজরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৬১টি আসন। ২৭ অক্টোবর ভোটগ্রহণের পর প্রকাশিত বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষায় প্রথমে বিরোধী শিবিরকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেলেও পরবর্তী সংশোধিত হিসাবে দুই জোটের ব্যবধান কমেছে। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমভেদে সমীক্ষার ফলাফলে পার্থক্য রয়েছে। ফলে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে ইজরায়েলে সরকার গঠনের ছবি স্পষ্ট হচ্ছে না।

ইজরায়েলের নির্বাচনে সরকার গঠনের অঙ্ক ক্রমশ জটিল হচ্ছে। বুথফেরত সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে নেতানিয়াহুর জোট পেতে পারে ২৪ থেকে ২৫টি আসন। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের দল ইয়াশারের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ২১ থেকে ২৩। তবে কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। ফলে সরকার গঠনে ছোট দলগুলির সমর্থন হয়ে উঠতে পারে নির্ণায়ক।

আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলি সম্মিলিতভাবে ১৭ থেকে ১৯টি আসন পেতে পারে বলে অনুমান। ফলে বিরোধী শিবির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছলেও সরকার গড়তে জোটের সমীকরণ মেলানো তাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তার উপর বিরোধী শিবিরের কয়েক জন নেতা আরব দলগুলির সঙ্গে জোট গঠনে আপত্তি জানিয়েছেন। ফলে নেতানিয়াহুর বিরোধীরা শেষ পর্যন্ত একজোট হতে পারে কি না, তার উপরেও নির্ভর করছে ইজরায়েলের পরবর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ।

এক্সিট পোলে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার ইঙ্গিত না মিললেও দলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সমর্থকদের সামনে ভাষণে তাঁর দাবি, লিকুদই ইজরায়েলের বৃহত্তম দল এবং দক্ষিণপন্থী শিবিরের হাতেই রয়েছে নির্ণায়ক সংখ্যাগরিষ্ঠতা। শক্তিশালী জাতীয় দক্ষিণপন্থী সরকার গঠনের ডাকও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, ইরান আগের চেয়ে দুর্বল বলে দাবি করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একযোগে কাজ করার উপর জোর দিয়েছেন নেতানিয়াহু। আরব দলগুলির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের সম্ভাবনারও বিরোধিতা করেছেন তিনি।

নেতানিয়াহুর শিবির যখন জয়ের দাবি করছে, তখন ইজরায়েলে পালাবদলের সুর বিরোধী শিবিরে। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের দাবি, পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছেন ভোটাররা। তাঁর কথায়, পুরনো রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে ইজরায়েলের এবার নতুন পথে হাঁটার সময় এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *