Close-up of a man with glasses and slightly graying hair, wearing a dark blue shirt, speaking into a microphone, with the black Trinamool Congress party symbol (two flowers with grass) visible on a white background behind him.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বাড়ছিল জল্পনা। ইডির সমন পেয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একই সময়ে কমপ্লেক্সের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিক এবং বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশকর্মীরা। ফলে ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। প্রাক্তন মন্ত্রীর কাছে কোনও রক্ষাকবচ না থাকায় গ্রেফতারির জল্পনা আরও বেড়েছিল। অবশেষে জানা গেল, পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী।

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো ও ভিআইপি পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে পাস বিক্রি এবং বিপুল পরিমাণ টাকা তছরুপ করা হয়েছিল। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর তদন্তে নামে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।

অন্যদিকে, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে PMLA-র অধীনে পৃথক তদন্ত শুরু করেছে ইডি। এই মামলায় এর আগেও একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ইন্দ্রনীল সেনকে। বুধবার ফের তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশ মেনে এদিন তদন্তকারী সংস্থার দফতরে পৌঁছন প্রাক্তন মন্ত্রী। এবং তাঁর হাজিরা দেওয়ার পরই সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশি তৎপরতা বাড়তে শুরু করে। মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশকর্মী। পাশাপাশি, বাইরে অপেক্ষা করেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা। তাহলে কি জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিজিও থেকে বেরোলেই আটক বা গ্রেফতার করা হবে ইন্দ্রনীল সেনকে? সেই জল্পনাই তৈরী হয়েছিল। এরপর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোতেই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজারের গোয়েন্দা সেল। উল্লেখ্য, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর কাছে বর্তমানে কোনও রক্ষাকবচ নেই বলেই জানা গিয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *