জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : উৎসবের মরশুমে বাজি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের! কালীপুজো ও ছটপুজোকে কেন্দ্র করে জারি হল একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা। পরিবেশ রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নবান্নের সভাঘরে বৈঠক করলেন সিপি অজয় নন্দা ও স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ।
কালীপুজো ও ছটপুজোয় বাজি পোড়ানো নিয়ে একাধিক কড়া বিধিনিষেধ জারি করল প্রশাসন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন ক্র্যাকার্স’ ব্যবহারের অনুমতি মিলবে। শব্দবাজির সর্বোচ্চ শব্দসীমা ১২৫ ডেসিবেল এবং অন্যান্য বাজির ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল ধার্য করা হয়েছে। কালীপুজোয় রাত ৮টা থেকে ১০টা এবং ছটপুজোয় সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্তই বাজি পোড়ানোর অনুমতি থাকবে।
জানা গিয়েছে, বহুতল আবাসনে ধোঁয়ার মাত্রার ওপর নজরদারি থাকবে। ফানুস ওড়াতে ফায়ার বিভাগের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানোর ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। লোকালয় থেকে দূরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাজি বাজার বসানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বড়বাজার থেকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নিয়ম ভাঙলে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ডিজি। বাজি সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকলে সাধারণ মানুষ যাতে প্রশাসনের কাছে তা জানাতে পারেন, তার জন্য চালু করা হচ্ছে হেল্পলাইন নম্বর। স্বরাষ্ট্রসচিবের বার্তা, নিজের আনন্দের জন্য অন্যের ক্ষতি করা চলবে না। উৎসবের আনন্দ বজায় রেখেই পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিকে নজর রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
