জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : চোরবাগান বিপর্যয়ের নেপথ্যে ভিড়ের ভয়াবহ চাপ? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এল গুরুতর আঘাতের তথ্য। সপ্তমীর রাতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তত ৬ জনের পাঁজরের হাড় ভেঙে তা ঢুকে যায় ফুসফুসে। পাশাপাশি দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু, হাত-পা ভাঙা এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেরও উল্লেখ রয়েছে। কী ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলেন দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা, তা স্পষ্ট হচ্ছে রিপোর্টের তথ্য থেকে।
সূত্রের খবর, প্রবল ভিড়ের চাপে অন্তত ৬ জনের পাঁজরের হাড় ভেঙে ফুসফুসে ঢুকে যায়। মৃতদের শরীরে মিলেছে একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন। কারও হাত ভাঙা, কারও পা। আবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং মাথায় আঘাতের কথাও উল্লেখ রয়েছে প্রাথমিক রিপোর্টে। পাশাপাশি, অন্তত ৭ জনের দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুর তথ্য উঠে এসেছে ময়নাতদন্তে। সপ্তমীর রাতে ঘটে যাওয়া চোরবাগান বিপর্যয়ের ভয়াবহ চিত্র এবার সামনে আনল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট।
মৃতদের মধ্যে কেউ কলকাতার, কেউ জেলার বাসিন্দা, আবার কেউ এসেছিলেন ভিনরাজ্য থেকে। ঘটনায় আহত ২৫ জন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাউকে রেয়াত করা হবে না। ঘটনার তদন্তে গঠন করা হচ্ছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সংগ্রহ করা হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

