Close-up photo of a man with short black hair and a trimmed beard, wearing a light blue denim shirt, sitting inside a car and looking towards the camera.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের পার্টি অফিসে টাকার পাহাড়! তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা। জমি দুর্নীতি মামলায় তদন্তের সূত্র ধরেই সরিষার ওই পার্টি অফিসে পৌঁছন তদন্তকারীরা। সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। বেশ কিছুদিন আগেই তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ। এদিন তাঁর উপস্থিতিতেই চলে তল্লাশি। উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নগদ। কিন্তু কোথা থেকে এল এত টাকা? কী উদ্দেশ্যে পার্টি অফিসে রাখা হয়েছিল এই বিপুল নগদ? আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। সুমিত রায়কে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

সুমিত রায়কে ঘিরে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে তদন্তের জাল। শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ, কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বিক্রি করা হয়েছে। এরই মধ্যে ডায়মন্ড হারবারের কালিতলা আশুতি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মাটি চুরির অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সেই মামলাতেই তাঁকে হেফাজতে নেয় জেলা পুলিশ। একাধিক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আর সেই জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সরিষায় তৃণমূলের একটি পার্টি অফিসে হানা দেন পুলিশ আধিকারিকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থানার অন্তর্গত ওই পার্টি অফিসে শুরু হয় তল্লাশি। তল্লাশির সময় একটি আলমারির ভিতরে রাখা ব্যাগের সন্ধান মেলে। এরপর ব্যাগ খুলতেই বেরিয়ে আসে টাকার বান্ডিল। ব্যাগের ভিতরে থরে থরে সাজানো নগদ টাকা দেখে রীতিমতো চমকে যান তদন্তকারীরা। এই টাকা কোথা থেকে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।

টাকার পাহাড় উদ্ধারের ঘটনায় মুখ খুলেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, কালিতলা আশুতি থানার একটি মামলায় সুমিত রায়কে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। সেই জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মেলে। এরপর সেই সূত্র ধরেই একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। দীর্ঘ তল্লাশির পর উদ্ধার হয় ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা। এই বিপুল নগদের উৎস কী, কীভাবেই বা এত টাকা সেখানে এল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *