জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : ফ্লাই দুবাইয়ের ককপিটে হামলাকে ‘সন্ত্রাসী হানা’ আখ্যা ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের তরফে। যদিও এবিষয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বা তাঁর দফতর থেকে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। এই ঘটনায় ইরানের যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়ার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

ইজরায়েল-ইরান সংঘাত নতুন নয়। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার পর তা আরও বেড়েছে। দুই দেশের তরফেই হুঁশিয়ারি এসেছে বারবার। বুধবার তেল আভিভ গামী যে বিমানে হামলা হয় তার বেশিরভাগ যাত্রীই ইজরায়েলি, ফলে ইরানের যোগ নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে নেতানিয়াহু জানান, “হামলাকারীর পরিচয় ও তার সহযোগী আছে কি না, ইরানের যোগ আছে কি না, সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনই বলা কঠিন।”জানা গিয়েছে , এই ঘটনার তদন্তে ইজরায়েলও যোগ দেবে।

বুধবার সকালে দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাই দুবাই এফজেড ১০৭৩-এ তুলকালাম কান্ড ঘটে। অভিযোগ, ককপিটের ভিতর চালকের আসনে থাকা ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে ছুরি দিয়ে কোপান তাঁরই সহ-পাইলট। ২ মিনিটে ১৭ হাজার ৪০০ ফুট নিচে নেমে আসে বিমান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, রক্তে ভেসে যাচ্ছিল ককপিট। তবে, রক্তাক্ত অবস্থাতেও নিজের কর্তব্য ভুলে যাননি স্মিত। তাঁর ও অন্যান্য কর্মীদের তৎপরতায় রক্ষা পায় শতাধিক যাত্রী, সৌদির তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করানো হয় বিমানটিকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *