Two politicians side by side in split image.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে ফের আইনি লড়াই! ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ জনের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বিধায়ক। সূত্রের খবর, শুধু সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের বিরুদ্ধেই নয়, বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছেন শোভনদেব। তাঁর দাবি, ভোটে জেতার পর দল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করতে হবে। সেই আইন মেনেই তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন শীর্ষ আদালত কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি লড়াই চালাচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম অরূপ রায় ও সাবিনা ইয়াসমিন-সহ মোট ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন নিয়ে একাধিকবার বিধানসভার স্পিকারের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া না মেলায় শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন শোভনদেব। সেই সময় শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, বিধায়কদের পদ খারিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার রয়েছে বিধানসভার স্পিকারের। পাশাপাশি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সময়সীমাও নির্ধারণ করে দিয়েছিল আদালত। তবে নির্ধারিত দিনে দেখা যায়, শোভনদেবের আবেদনে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। সেই কারণেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তাতে স্বস্তি পান ঋতব্রতরা। যদিও পরবর্তীতে সঠিক পদ্ধতি মেনে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। এবার সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই ফের আইনি লড়াই শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কীসের ভিত্তিতে বিরোধী দলনেতার পদ দেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ঋতব্রত-সহ মোট ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের দাবিও জানিয়েছেন শোভনদেব। এবার মামলায় বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকেও যুক্ত করেছেন তিনি। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। শীর্ষ আদালত এবার কী অবস্থান নেয়, আর তাতে ঋতব্রতদের বিধায়ক পদ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *