Students sitting in a classroom with teachers near blackboard.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : শিক্ষক নিয়োগে গতি আনতে এবার বাকি থাকা ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করার উদ্যোগ! রাজ্যের স্কুলগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও নানা কারণে এখনও কিছু ইন্টারভিউ সম্পন্ন হয়নি। সেই অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সব ঠিক থাকলে পুজোর ছুটির পর নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই শুরু হতে পারে নতুন করে ইন্টারভিউ। শুক্রবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রবিরঞ্জন সেনের বক্তব্যে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ইন্টারভিউ শুরু করতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এবিষয়ে পর্ষদ সভাপতি রবিরঞ্জন সেনের বক্তব্য, পুরনো ইন্টারভিউয়ের সব নিয়মই বহাল থাকবে। প্রস্তুতি চলছে নিয়োগের পরবর্তী ধাপগুলি চালুর। শুধু প্রাথমিক নয়, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউও শুরু হতে পারে একই সময়ে।

জানা গিয়েছে, নভেম্বরের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশন। বিভিন্ন স্তরে নিয়োগের জন্য মোট শূন্যপদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। ফলে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হলে বহু প্রার্থীর নিয়োগের পরবর্তী ধাপে পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। এদিকে, ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের মধ্যে ১৩,৪২১ জনকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের লক্ষ্যে ২০২৫ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

প্রাথমিকের পাশাপাশি নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ নিয়েও তৎপরতা বাড়ছে। সংরক্ষণের নিয়ম মেনে সংশোধিত তালিকা প্রকাশের পর এবার স্থগিত থাকা ইন্টারভিউ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে আগামী মাসটি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এর অন্যতম কারণ সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত সময়সীমা। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ মে-র মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। সেই সময়সীমা মেনেই দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করে নিয়োগের পরবর্তী ধাপগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *