জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : ফুটবল মাঠে ফের মর্মান্তিক মৃত্যু! গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মৃত্যু হল স্পেনের সিডি তেনেরিফের স্ট্রাইকার জেসুস ডি মিগেলের। স্পেনের দ্বিতীয় ডিভিশনে এফসি অ্যান্ডোরার বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন প্রতিপক্ষের গোলকিপার জেসুস ওসোনার সঙ্গে ধাক্কা লাগে তাঁর। এরপরই মাঠে হৃদরোগে আক্রান্ত হন জেসুস। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনা আবারও ফিরিয়ে আনল জুনিয়রের মৃত্যুর স্মৃতি।
২-২ গোলে সমতা থাকা ম্যাচের অতিরিক্ত সময়েই ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মাঝমাঠের কাছে একটি লম্বা বল ধরতে গিয়ে প্রতিপক্ষ গোলকিপারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে জেসুসের। সংঘর্ষে বুকে গুরুতর আঘাত পেয়ে মাঠেই পড়ে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। খবর পেয়েই মাঠে পৌঁছন দুই দলের চিকিৎসক ও মেডিক্যাল কর্মীরা। প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে মাঠেই চলে জরুরি চিকিৎসা। পরে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয় ৩০ বছর বয়সী ফুটবলারকে। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যু হয় তাঁর। সিডি তেনেরিফের তরফে ইতিমধ্যেই এই খবর জানানো হয়েছে।
লেগানেস বি দলের হয়ে ২০১৫ সালে ফুটবল কেরিয়ার শুরু করেছিলেন জেসুস ডি মিগেল। এরপর স্পেনের আটটি ভিন্ন ক্লাবের জার্সিতে মাঠে নেমেছেন। গত বছর তিনি যোগ দেন সিডি তেনেরিফে। কিন্তু ৩০ বছর বয়সেই তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ স্পেনের ফুটবলমহল।
জেসুসের এই মর্মান্তিক মৃত্যু ফের ফিরিয়ে আনল ২০০৪ সালের ফেড কাপ ফাইনালের স্মৃতি। সেবার বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের মুখোমুখি হয়েছিল ডেম্পো। ৫ ডিসেম্বরের সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন ডেম্পোর জুনিয়র। কিন্তু ৭৮ মিনিটে মোহনবাগান গোলকিপার সুব্রত পালের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মাঠেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ময়নাতদন্তে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল জুনিয়রের।
