Three men standing side by side indoors, with the man in the center wearing a white shirt and holding a small object.

জনমত বাংলা নিউজ ডেস্ক : ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র আন্দোলনের নেপথ্যে অর্থের উৎস কী? এই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করছে সিজেপি। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও দিল্লি-সহ দেশের একাধিক জায়গায় বড় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিও আয়োজন করা হচ্ছে তাদের তরফে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল না হয়েও কীভাবে এত বড় কর্মসূচির আয়োজন সম্ভব হচ্ছে? সিজেপির ফান্ডিং ঘিরে সেই প্রশ্নই সামনে এনেছেন নীতিন নবীন।

জানা গিয়েছে, সিজেপির অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বিদেশি যোগসূত্রের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। ভারত-বিরোধী কোনও শক্তি বা দেশ এই সংগঠনকে অর্থ জোগাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বাংলাদেশ, নেপাল, চিন ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য যোগসূত্রও তদন্তকারীদের নজরে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সিজেপির আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বাংলাদেশের এনসিপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নাহিদ ইসলাম। সেদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পরিচালিত আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল নাহিদ।

সিজেপির আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন বাংলাদেশের নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, নয়াদিল্লিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকদের আটক করা হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং যন্তর মন্তরে বিধিনিষেধ জারির মতো পদক্ষেপ মৌলিক স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত। নাহিদ আরও লিখেছেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার জবাব দিতে হবে। ব্যারিকেড বা সংবাদপ্রকাশে বাধা দিয়ে সেই প্রশ্ন এড়ানো যায় না। তাঁর কথায়, এই লড়াইয়ে আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, নাহিদের এই পোস্টকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। সিজেপির আন্দোলনের প্রতি তাঁর সমর্থনের কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সরকারি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *